মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

প্রখাত ব্যক্তি

মৃত আলহাজ্ব মো: ময়লাল প্রামানিক, আমার নিজের দাদা ছিলেন, আমার জানা কিছু কাহিনী আমি বর্ণনা করিলাম:- আমি যখন খুব ছোট আমার বয়স তখন ০৫ (পাঁচ) বছর আমার খুব ভালো করে মনে আছে আমার ঘুম ভাংত আমার দাদার হাদীসের বই পড়া শুনে। আমার জ্ঞান হওয়ার পর থেকে কোন দিন তিনাকে সুয়ে বসে হেলায় খেলায় দিন কাটাতে দেখি নাই এক কথায় তিনি এই ৫নং চামারী ইউনিয়ন এর মধ্যে একজন কর্মঠ্য মানুষ ছিলেন। আমি যখন জামিল মাদ্রাসায় বগুড়া পড়া লেখা করতেছিলাম তখন আমার  মরহুম দাদা জান আমাকে দেখতে গিয়েছিলেন। তিনার এই ১৪ (চৌদ্দ) জন সন্তানদের মধ্যে কয়েক জনার কিছু বিবরণ বর্ণনা করিলাম: আলহাজ্ব মো: আব্দুল মমিন নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার ৫নং চামারী ইউনিয়ন তো বাদ দিলাম ঢাকায় বিশ্ব ইজতেমাতে তাকে একনামে সবাই চিনে। ( তিনি সিংড়া উপজেলার তাবলীগ এর আমির। ডক্টর ইঞ্জিনিয়ার মো: মখলেসুর রহমান (বাবর) বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমানে তিনি সহযোগী অধ্যাপক, তার সাথে সাথে সয়েল টেষ্ট এবং বিল্ডিং ডিজাইন এর উপরে উঞ্জিনিয়ারিং কনসালটিং ব্যবসা করেণ। মিরপুর, জনতা হাউজিং পান্থনিবাস ০৪ এর বর্তমানে পরিবার সহ স্থায়ী ভাবে বসবাস করতেছেন। তিনার ৫নং চামারী  ইউনিয়নে মির্জাপুর গ্রামে একটি বাসা আছে। মো: মাহমুদুল হাসান (মকুল) মার্কেটিং মাষ্টার্স, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমানে বিলহালতি ত্রি-মোহনী ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক। মো: মাহাবুবুর রহমান বোটনিতে মাষ্টার্স (সন্মান)। ২০০৭ সালে বগুড়া আজিজুল হক কলেজ থেকে পড়া লেখা শেষ করে ঐ কলেজে কম্পিউটার প্রশিক্ষণের প্রভাষক হিসাবে কর্মরত ছিলেন। অতপর সিংড়া উপজেলার সহকারী প্রগ্রামার ছিলেন। বর্তমানে (a2i) সহকারী প্রগ্রামার হিসাবে কর্মরত আছেন।

ছবি